নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গমাতার নামফলক ভাঙতে গিয়ে আহত শিক্ষার্থী

প্রকাশিত: ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ , ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, বৃহস্পতিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 1 year আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মই বেয়ে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নামফলক ভাঙতে গিয়ে মই পিছলিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছে শাহজালাল আহমেদ জনি নামের এক শিক্ষার্থী।

বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে। এসময় বিপ্লবী ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবশিষ্ট মুজির পরিবারের স্মৃতি ধারক সকল স্থাপনা ভেঙে দেয়ার ঘোষণা দেয়।

পরে বিপ্লবী ছাত্র জনতার ব্যানারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ‘মুজিব’ ম্যুরাল ভাঙার পর বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নামফলক ভাঙার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, শাহজালাল আহমেদ জনি ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী এবং সে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কর্মী এবং শাখা ছাত্রদলের ইমরান হোসেন প্রধানের অনুসারী।

সারাদেশের মতো বঙ্গবন্ধু হলে থাকা শেখ মুজিবের ম্যুরাল ভাঙার পর বঙ্গমাতা হলের শেখ ফজিলাতুন্নেছার ম্যুরাল ও নামফলক ভেঙে দেয়ার জন্য নারী শিক্ষার্থীদের হলটির সামনে গেলে ভিতর থেকে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

নারী শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে মই ব্যবহার করে শুরু হয় নামফলক ভাঙার কাজ। এসময় উভয়পক্ষেও মাঝে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় চলে। এসময় নামফলক ভাঙতে গিয়ে মই পিছলিয়ে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয় শাহজালাল আহমেদ জনি। পরে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাজু শেখ বলেন, আমরা জনিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এসেছি। চিকিৎসা শেষে এখন কিছুটা সুস্থ হয়েছে।

এদিকে শিক্ষার্থীরা বিভিন্নভাবে ম্যুরালটি ভাঙার প্রস্তাব করলেও নিরাপত্তা ও শিক্ষার্থীদেও দাবির মুখে রাতে এটি না ভেঙে প্রশাসনের উদ্যোগে ম্যুরাল ভাঙা ও নামফলক সরিয়ে নেয়ার আশ্বাস দেন। এই আশ্বাসে বিপ্লবী ছাত্ররা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড.মিজানুর বলেন, রাতে শিক্ষার্থী শেখ মুজিবের ম্যুরাল ও বঙ্গমাতা হলের শেখ ফজিলাতুন্নেছার ম্যুরাল ও নামফলক ভেঙে দিয়েছে।

মন্তব্য লিখুন