বেনাপোল স্থলবন্দরে “স্বাস্থ্য ক্যাম্পেইন” এর শুভ উদ্বোধন

প্রকাশিত: ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ , ৩০ নভেম্বর ২০২৫, রবিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 6 months আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

মো.সাহিদুল ইসলাম শাহীনঃ- ”এসো দেশ বদলাই,পৃথিবী বদলাই” এই স্লোগানে বেনাপোল আন্তর্জাতি স্থলবন্দরে তারুণ্যের উৎসব-২০২৫ উপলক্ষে স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীর সহায়তায় “স্বাস্থ্য ক্যাম্পেইন” এর শুভ উদ্বোধন করা হয়। ক্যাম্পেইন উদ্বোধণ করেন বেনাপোল স্থলবন্দর পরিচালক(ট্রাফিক) মো.শামীম হোসেন।

রবিবার(৩০ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে বেনাপোল স্থলবন্দরের কার্গো ভেহিক্যাল টার্মিনালে স্থলবন্দরের আয়োজনে শ্রমিকদের এ স্বাস্থ্য ক্যাম্পেইন শুরু হয়।

ডা. ফাহমিদা এশা’র পরিচালনায় এ স্বাস্থ্য ক্যাম্পেইন বিকাল সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত চলবে। বেনাপোল স্থল বন্দরে কর্মরত সাধারণ শ্রমিক ও বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন পর্যায়ের কাজে নিয়োজিত সাধারনের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য তথ্য সংগ্রহের জন্য এ ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য।

ক্যাম্পেইন উদ্বোধণকালে উপস্থিত ছিলেন,বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন- ৯২৫ এর সাধারণ সম্পাদক- মো. সহিদ আলী এবং স্থলবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারী ও হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ শ্রমিকবৃন্দ।

বন্দর পরিচালক শামীম হোসেন বলেন,বেনাপোল স্থল বন্দরে কর্মরত সাধারণ শ্রমিক ও বিভিন্ন পর্যায়ের কাজে নিয়োজিত সাধারণের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য তথ্য সংগ্রহের জন্য স্বাস্থ্য ক্যাম্পেইন খোলা হয়েছে।

আপনারা জানেন, তারুণ্যের উৎসব-২০২৫ চলছে, তারই ধারাবাহিকতায় আজ এই স্বাস্থ্য ক্যাম্পেইন এর মাধ্যমে আমরা সবার ব্লাড প্রেসার ও ব্লাড সুগার নির্ণয় করছি,প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবার জন্য কিছু ঔষধ দিচ্ছি, এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা মূলক লিফলেট বিতরণ করছি,একই সাথে আমাদের বন্দরের যে মেডিকেল অফিসার রয়েছে,তিনি এবং তার টিম এ কাজে সহায়তা করছেন।

ডা.ফাহমিদা এশা বলেন,শ্রমিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রেসক্রিপশন দেওয়া হচ্ছে,এতে করে প্রাথমিক পর্যায় বাইরের চিকিৎসকের কাছে তাদের যেতে হবে না। এখানে যারা কর্মরত আছেন, তাদের সচেতন করছি কিভাবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা যায়। স্বাস্থ্য বিধিমেনে চলার ভালো দিক, খারাপ দিক, আমরা তুলে ধরছি।

বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন- ৯২৫ এর সাধারণ সম্পাদক- মো. সহিদ আলী বলেন,তারুণ্যের উৎসব-২০২৫ চলছে, আমাদের বন্দর পরিচালক শামীম হোসেন স্যার যে উদ্যোগ নিয়েছেন,তাতে করে বন্দরের শ্রমিকবৃন্দ স্বাচ্ছন্দে এবং সুস্থ শরীরে কাজ করতে পারবে।

শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সেবা যদি ভালো থাকে,বন্দরে কাজের গতি অনেক বাড়বে,শ্রমিকরা কাজ করতেও স্বাচ্ছন্দ বোধ করবে। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে শ্রমিকরা নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ঔষধ নিতে পারবে, এতে আমাদের শ্রমিকরা অনেক খুশি ।