• অপরাধ খুলনা
  • মারধরের ঘটনায় পুলিশকে সন্ত্রাসীদের নাম প্রকাশ করায় ব্যবসায়ীকে হুমকি

মারধরের ঘটনায় পুলিশকে সন্ত্রাসীদের নাম প্রকাশ করায় ব্যবসায়ীকে হুমকি

প্রকাশিত: ১:৪৬ অপরাহ্ণ , ২১ জানুয়ারি ২০২৫, মঙ্গলবার , পোষ্ট করা হয়েছে 1 year আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন

যশোরের চৌগাছায় বিসিআইসি সার ব্যবসায়ী আতিকুর রহমান লেন্টুকে মারধরের ঘটনায় সংবাদ প্রকাশ করে স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম। সংবাদ প্রকাশের পর পরই এলাকাজুড়ে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়, তৎপর হয়ে ওঠে চৌগাছা থানা পুলিশ। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

সরজমিন পরিদর্শন ও সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে সার ব্যবসায়ীকে মারধর, টাকা ও মোটরসাইকেল লুটের সত্যতা পান পুলিশ। চাঁদাবাজির প্রমান পেয়ে মামলা রেকর্ড ও মালামাল উদ্ধারে অভিযানের নির্দেশ দেন চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন।

অভিযান পরিচালনা করে নাইমুজ্জামান সুমন নামের একজন আসামীকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানায় চৌগাছা থানা পুলিশ।

ভূক্তভোগী আতিকুর রহমান লেন্টু বলেন, সন্ত্রাসী বাহিনীর নাম প্রকাশ করায় বিভিন্ন ভাবে আমাকে প্রাণনাশের হুমকী দিচ্ছে। উপজেলা বিএনপির সাবেক এক নেতা আমার কাছে এসে সংবাদ ও মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য বলেছে। আমি আমার টাকা ও মোটর সাইকেল ফিরে পাবো এমনটাই আস্বস্থ করেছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম।

এবিষয়ে চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, সার ব্যবসায়ীকে মারধরের ঘটনায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং অভিযান পরিচালনা করে একজনকে আটক করা হয়েছে। ভূক্তভোগীকে হুমকীর বিষয়ে বলেন, আমরা তাকে থানা থেকে সকল প্রকার নিরাপত্তা দেওয়ার চেষ্টা করছি।

উল্লেখ্য, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলামের পৌষ্য সন্ত্রাসী বাহিনী শফিকুল ইসলাম, জহুরুল ইসলাম, নাইমুজ্জামান সুমন, মনিরুল ইসলাম, মাজিদুল ইসলাম, ইসাহক আলী ও তরিকুল ইসলাম দীর্ঘ দিন যাবৎ পঞ্চশ লক্ষ টাকা চাঁদা চেয়ে চাপ দিতে থাকেন।

একাধিকবার চাপ দেওয়ার পরও চাঁদার টাকা না দেওয়াই শুক্রবার রাত নয়টার দিকে সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দোকানের ভেতর প্রবেশ করে। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করায় দোকান ভাংচুর ও লেন্টুকে মারধর শুরু করেন এসকল সন্ত্রাসী। মারধরের এক পর্যায়ে দোকান থেকে ব্যবসায়ীকে বের দিয়ে দোকান তালাবদ্ধ করে দেন তারা।

এসময় সন্ত্রাসীদের মারধর থেকে লেন্টুকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আঘাতপ্রাপ্ত হয় বলে জানা যায়। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বর্তমান উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালামের সহযোগীতায় দোকানের তালা খুলতে সক্ষম হন তিনি। এসময় দোকানে থাকা আট লক্ষ টাকা ও মোটরবাইক লুট করে নিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভূক্তভোগী এই ব্যবসায়ী।

মন্তব্য লিখুন