স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের দাবীতে

শাহজাদপুর রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরােধ করে বিক্ষােভ

প্রকাশিত: ১:১২ অপরাহ্ণ , ২১ জানুয়ারি ২০২৫, মঙ্গলবার , পোষ্ট করা হয়েছে 1 year আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জমিদারির নিজস্ব জমিতে অবিলম্বে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের দাবীতে ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়ক অবরােধ করে মানববন্ধন ও বিক্ষােভ করেছেন।

আজ মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে শাহজাদপুর উপজেলা সদরের দ্বারিয়াপুর রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী একাডেমিক ভবন-৩ এর সামনের বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়ক অবরােধ করে মানববন্ধন ও বিক্ষােভ শুরু করে।

বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়ক অবরাধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষােভ চলাকালে তাদের দাবী স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত তারা এ অন্দোলন চালিয়ে যাবেন। তবে অবরােধ চলাকালে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফসর ড. এস এম হাসান তালুকদার বেলা সাড়ে তিনটায় অবরােধকারীদের আশ্বাস দিলে অবরােধকারীরা অবরােধ তুলে নেয়।

এর পর ঢাকা – পাবনা মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এ অবরােধ চলাকালে বক্তব্য রাখেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নওশিন মাইসা, হৃদয় সরকার, শামীম হাসান, হাবিব, জাকারিয়া, বায়জিদ, স্বপন, জাহিদ, সমুদ্র, মেহেদী, মমিন প্রমুখ। বক্তারা বলন, ২০১৬ সাল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়টির বয়স ৮ বছর পাড় হলেও এখনও বিভিন স্থানে ভাড়া ভবনে প্রশাসনিক কাজ ও একাডেমিক পাঠদান চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির স্থায়ী ও নিজস্ব ক্যাম্পাস না থাকায় ১ হাজার ২০০ শিক্ষার্থীর অধ্যয়ন ব্যহত হচ্ছে।

এতাে পরিমাণ শিক্ষার্থীদর জন্য নাই স্থায়ী ক্যাম্পাস। এর আগের ২ জন ভিসি নানা জটিলতায় ক্যাম্পাস ও আবাসিক হল নির্মাণ কাজ শুরু করতে পারেননি। ফলে শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট সহ প্রতিনিয়ত নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে সকল জটিলতা কাটিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস ও আবাসন নির্মাণের জাের দাবী জানান। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস ও আবাসন নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের এ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘােষণা দেন।

এ বিষয়ে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়র প্রাে-ভিসি প্রফেসর বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনটি যৌক্তিক আন্দোলন। তারা এ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করছে ও করেই যাচ্ছে অথচ এখনও ক্যাম্পাস ও নিজস্ব ভবন নির্মাণ হয়নি। জায়গাটা অধিগ্রহণ করা আছে।

এই মূহুর্তে আমরা যাদি কাজ করতে চাই তবে করা যাবে। এই প্রেক্ষিতে বর্তমান প্রশাসন সরকারের কাছে সংশােধিত জিপিপি জমা দিয়েছে। এ সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কাজ করছে। তারা এটি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে।

আগামী ২৮ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে মিটিং আছে। এ মিটিংয়ে যদি অনুমােদন হয় তবে আমরা আশা করি এ বছরের মধ্যে কাজ শুরু করা যাবে।

মন্তব্য লিখুন