সীমান্ত এলাকায় বিজিবির নিরাপত্তা জোরদার, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে মাঠে নামছে বাহিনী

প্রকাশিত: ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ , ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, শনিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 4 months আগে
ছবি- সময়ের আবর্তন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে মাঠে নামবে বিজিবি।

বিজিবি চট্টগ্রাম রিজিয়নের অধীন খাগড়াছড়ির গুইমারা সেক্টরের আওতাধীন মাটিরাঙ্গা জামিনীপাড়া ব্যাটালিয়ন (২৩ বিজিবি)-এর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল খালিদ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে জামিনীপাড়া জোন সদরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক জারিকৃত সকল নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। জনসাধারণ যাতে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, সে লক্ষ্যে বিজিবি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। একই সঙ্গে ভোটারদের মধ্যে আস্থা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রেষণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র পাচারসহ সীমান্ত সংশ্লিষ্ট সকল ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবির টহল ও তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

বিজিবি চট্টগ্রাম রিজিয়নের অধীন গুইমারা সেক্টর সদরসহ তিনটি ব্যাটালিয়ন, দুইটি জেলা ও সাতটি উপজেলায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। দুর্গম এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনটি সংসদীয় আসনের মোট ৩৪৪টি ভোটকেন্দ্রে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ১০টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, মাটিরাঙ্গা উপজেলায় দুইটি বেইজ ক্যাম্প থেকে ৩২টি ভোটকেন্দ্র, গুইমারায় একটি বেইজ ক্যাম্প থেকে ১৩টি, মানিকছড়িতে একটি বেইজ ক্যাম্প থেকে ২১টি, লক্ষীছড়িতে একটি বেইজ ক্যাম্প থেকে ১২টি, রামগড়ে একটি বেইজ ক্যাম্প থেকে ২০টি, মীরসরাইয়ে দুইটি বেইজ ক্যাম্প থেকে ১০৬টি এবং ফটিকছড়িতে দুইটি বেইজ ক্যাম্প থেকে ১৪০টি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করবে বিজিবি।

এছাড়া নির্বাচনী নিরাপত্তায় বিজিবির বিশেষায়িত কে-৯ ডগ স্কোয়াড ইউনিট প্রস্তুত রয়েছে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‌্যাপিড অ্যাকশন টিম (RAT), কুইক রেসপন্স ফোর্স (QRF) ও হেলিকপ্টার সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে বলেও জানান জোন কমান্ডার।